news
নিউজটা আজকে একজন আমাকে দেখিয়েছেন।
স্বপ্নটা বড়,মহাকাশ নয় প্রাথমিক ধাপে ২০ কিঃমিঃ উচ্চতায় সক্ষম ছিল প্রোটোটাইপ টির।।
এর আগেও যখন আমি একটা বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম,নাহিয়ানের সাহসী পদক্ষেপে দিন রাত এক করে সফল হয়েছিলাম।
আমি শুধু বিশ্বাস না প্রবল বিশ্বাস করি নাহিয়ানের পদক্ষেপ সঠিক।।
কিন্তু কি এক অজানা কারণে পদক্ষেপটি আটকে আছে।।
নাহিয়ানের সহযোগী তিনজন স্কলারশিপ পেয়ে উচ্চতর পড়াশোনার জন্য উন্নত দেশে যাচ্ছে।
আর বোকা নাহিয়ানের স্বপ্ন মাটি উর্বর করতে এখানেই।।
হয়তো নাহিয়ানের মত উদ্যমীরা খুব দ্রুতই উন্নত দেশে পদার্পন করবে।
যেমনটা যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাকরি ছেড়ে চলে আসা স্নেহাশিস মাজেদ দেশে এসেছিল কিছু দেয়ার জন্য।।
যাইহোক আমাদের অদ্ভুত আচরণে মাজেদ এখন সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে উচ্চ অবস্থানে কর্মরত।।
এদেশে প্রজেক্ট সফল দেখানোর জন্য রিক্সা চালককে পেট্রোনাইজ করা হয় বিমান চালনার জন্য,
অত্যাধুনিক উদ্ভাবনের উদ্ভাবককে পাগলামি আখ্যা দিয়ে নিরুৎসাহিত।।
বাকপটুরা উদ্ভাবকের উদ্ভাবন উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে প্রযুক্তিবিদ সাজার ভূয়া প্রচেষ্টা করেও সফল হয়,এটাই যন্ত্রণার।।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।।
দক্ষ নেতৃত্বের জয় হোক অজানা খুঁটির বাধা থেকে।।
শিক্ষার চোখ খোলে যাক সমাজের,রাষ্ট্রের।।






