M.A Wares Babu
M.A Wares Babu
Managing Director, City Advance Lab Ltd Founder, Eco Vill Resort Co-Founder, City Point Krishok Co-Founder, City Adventure Travel's Co-Founder, E-Center Chairman, Manobseba Cell, E-Commerce Association of Bangladesh (E-Cab) President, Bangladesh Youth Entrepreneur Society (BD-YES) General Secretary, Humanitarian Society for People of Bangladesh (HPPB Advisor,Dhumketux Rocket The First Rocket in Bangladesh
M.A Wares Babu

Blog

মানুষ কিভাবে অন্যকে ছোট করতে পছন্দ করে?

মানুষ কিভাবে অন্যকে ছোট করতে পছন্দ করে?

মানুষ কিভাবে অন্যকে ছোট করতে পছন্দ করে?

গত সপ্তাহে আমার খুব পরিচিত জন আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন,কি ব্যাপার এত কালো হয়ে যাচ্ছো কেন?কিসের এত চাপ?সময় খারাপ নাকি!!

আমি এমনিতে সব কথার উত্তর দেই না,তাকে বললাম, টাকেরঘাট কয়লা পোর্টে দায়িত্ব নিয়েছি,সেখানে আবার যাদের কাজ নেই,চা খায় আর রাজনীতির সাথে কড়া সমালোচক তাদের জন্য দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক ৩০০ টাকায় কাজ দিচ্ছে, সেখানে একটা কাজ দেই।।

তিনি ক্ষেপে গিয়ে চুপ হয়ে গেলেন?কেন গেলেন বুঝলাম না!!

২০১৮/১৯ সালে সামাজিক অঙ্গনে থাকা,নেতৃত্বরা অসামাজিক কিংবা যত ধরনের সুযোগ সুবিধা নেয়া যায় সেখানে লিপ্ত ছিল,এরকম বেশ কয়েকজনের চক্ষুশূল ছিলাম কারণ তাদের গরীবকে পুঁজি করে অর্থ আত্মসাৎ রুখে দিয়েছিলাম।।

যাইহোক ষড়যন্ত্র শুরু হল,নানামাত্রিক ভাবে,ফেসবুকে ভুয়া আইডি করে, তাদের নষ্ট প্ল্যান শুরু হলো।।

শেরপুর থানা থেকে একজন সাব ইন্সপেক্টর কল দিয়ে কথা বললেন,একটা সময় কি বিষয়ে কল দিলেন জানতে চাইলাম-

বিষয়টা ছিল আমার নামে একজন জিডি করতে এসেছেন,কিন্তু তিনি আমাকে দেখেন নি।

একটু ভেঙ্গে বলি-

কেও একজন ভুয়া আইডি করে সেখানে আমার কন্টাক্ট নং এড করে ফেসবুক আর মেসেঞ্জারে কথা বলতো।।

কার্যসাধনের পর ফেসবুক আইডি ডিজেবল করে দিত।ভুক্তভোগীর কাছে নাম আর ফোন নং ব্যতিত আর কোন বিষয় থাকতো না।।

যাইহোক সাব ইন্সপেক্টর ভুক্তভোগীকে আমার সাথে কথা বলালেন,তিনি সামাজিক সংগঠনে কাজ করেন, শেরপুরে।

আমার কন্ঠ শুনে বললেন না,আমার সাথে তার কখনোই কথা হয় নি।।

কিন্তু বিষয়টি আমি গুরুত্ব সহকারে নিলাম,কেন অভিযোগ আসলো আর এর পিছনে আসলে কি রয়েছে?

সব বের করলাম,সামাজিক সংগঠনে ভালো কাজ দেখানোর আড়ালে কিছু ক্রিমিনাল গ্যাং কাজ করে, তারা নিজেরাই নিজেদের সংগঠনের নতুন কর্মীদের টার্গেট করে।চাকরীর কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়,অন্তরঙ্গ মুহূর্ত দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে,নিজস্ব নারী কর্মী দিয়ে পুরুষ টার্গেট করে।।

এরা ভিপিওএন ব্যবহার করে মাধ্যম ব্যবহার করাতে এদের ধরতে পুলিশ বিভাগ সহ এক্সপার্টরাও ব্যর্থ হয়।।তবে ক্রিমিনাল যতই ধূর্ত হোক ধরা সে পড়েই,এডিডেন্স গুলো দিয়ে।।

আমি সব সময় বলি,ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে পারদর্শী না হলে এটা নিজের জন্য ভয়ানক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায়।

ডিজিটাল ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সচেতন হোন।।

মাছ গুলো প্রজেক্টের পাশ থেকে ধরা,আমি ধরিনি,মাছ এক্সপার্ট জেলে ধরেছে।।

শুভ সকাল।।