The Holy Mosjid
নিচের দুটি মসজিদের বাইরের ও ভিতরের রূপ।।
আমাদের পারিবারিক সহায়তায় গতবছর দূর্গম চড়াঞ্চল পূর্ব জিগাতলায় (প্রায় সকল সুযোগ সুবিধা হীন এলাকা) গত বছর পবিত্র রমজান মাসে করে দেয়া হয়েছিল।
২০২২ সালের যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে পুরো একটি ওয়ার্ড বিলীন হয়ে যায়।
একটি সম্পূর্ণ জনপদ,চাষ বাসের জমি,আমাদের নির্মিত স্কুল,মসজিদ সহ সবকিছুই গভীর নদীতে রূপান্তর হয়।।
পুরো ওয়ার্ডের কিছু মানুষ নদীর এপাড়ে এসে আশ্রয় নেয়,কেও নিকট আত্মীয়ের বাড়ীতে।
অধিকাংশ পরিবার নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল (নতুন চড়-টিনের চড়) গাছপালা বিহীন মরু জায়গাতে ঘর করে আবাসন গড়েছেন।।
ঐ কঠিন সময়টাতে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ই-ক্যাব) এর মানবসেবা সেল ও এইচপিপিবি থেকে জরুরি বড় ধরনের খাদ্য সহায়তা সরকারী চাল বরাদ্দ,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে পাঁচটি গভীর নলকূপ ও স্বাস্থ্যসম্মত ১০ টি ল্যাট্রিন করে দিতে পেরেছিলাম।।
স্কুলটি পারিবারিক সহায়তায় কোনভাবে নতুন করে দাড় করানো হয়েছে।।
একটি ছাউনি করে মসজিদের নামাজ আদায় চলছে।
এলাকাবাসীর অত্যাধিক প্রয়োজন ও আহ্বানে মসজিদটিকে একটু চৌচালা ঘর,কংক্রিটের খুঁটি,চতুর্দিকে ইট দিয়ে শক্তমেঝ ও একটি গভীর নলকূপ তৈরী করার উদ্যোগ নিয়েছি।।
খুব বড় ধরনের সহায়তা হয়তো প্রয়োজন পড়বে না,আন্তরিক ভাবে কয়েকজন এগিয়ে আসলেই হয়তো পবিত্র রমজান মাসেই সম্পন্ন করে দেয়া যেতে পারে।।
★★★
যারা মসজিদটির সংস্কারে আগ্রহী অনুগ্রহ পূর্বক কমেন্টে আপনার বিষয়গুলো(সহায়তা) প্রকাশ করবেন,
★★★
মসজিদের ঈমাম ও অগ্রযাত্রা স্কুলের প্রধান শিক্ষক জসীম ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ ও তাদের বিকাশ নং দিয়ে দিব আপনাদের মতামতের পর।
সকল প্রশংসাই মহান প্রতিপালকের প্রতি।
(ছবিগুলো গতবছর মার্চ মাসে গৃহীত,মসজিদের ভিতরগত সজ্জা,ফ্লোর,পর্দা,সোলার,ফ্যান,নলকূপ,টয়লেট নির্মান শেষ করার পর সহকর্মী স্নেহাশিস রেদোয়ান,অগ্রযাত্রা এইচপিপিবি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জসীম ভাই,শিক্ষক সাঈদ ভাই)










