কৃষক,ধান ও প্রযুক্তি-
কৃষক,ধান ও প্রযুক্তি-
আলহামদুলিল্লাহ এবার মহান প্রতিপালকের ইচ্ছায় ধানের ভাল ফলন ঘটেছে,অন্যদিকে তীব্র রৌদ্রের প্রভাবে একদিকে জন জীবন বিপর্যস্ত আবার কৃষকের ধান আহরণ, শুকানো ও সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।।
আমাদের এবার প্রায় ৩ একর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে অন্য গৃহস্থের অংশীদারিত্বে।
কাটারী ভোগ ধান,সমৃদ্ধ ফলন এসেছে,ছবিতে ধানগুলো আমাদের উঠানে সিদ্ধ কাটারীভোগ।।
তীব্র রোদ থাকায় কৃষক অল্পদামে বিক্রি করার যে দূর্ভোগ সেখান থেকে অনেকটা রেহাই পেয়েছে আবার অন্যদিকে শ্রমিক সংকটে একর প্রতি ধান কাটার ব্যয় কমেছে প্রযুক্তি নির্ভর ধান কাটা যন্ত্রে।
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে এবারের ধান ফলন কিছুটা হলেও স্বস্তির প্রভাব পড়বে।।
সকল প্রশংসাই মহান প্রতিপালকের প্রতি।।
চিনির মূল্য ক্রমান্বয়ে বাড়ছে-
আমাদের দেশে উৎপাদিত স্বাস্থ্য সম্মত লাল চিনি (ফুলবাড়িয়া)
লাল দানা চিনি দেওয়ানগঞ্জ ও অন্যান্য যে সমস্ত এলাকাগুলোতে আখের চাষ হয় সে এরিয়া গুলোকে অধিক প্রায়োরিটি দিয়ে,কৃষকদের আস্থার প্রতীক হয়ে চিনির উৎপাদন শুধু বৃদ্ধি করাই সম্ভব না উপরন্তু স্বাস্থ সম্মত চিনি নিশ্চিত ও বৈদেশিক দ্রব্য থেকে নিজেদের মুক্ত করা সম্ভব।।
প্রয়োজন শুধু ইতিবাচক পদক্ষেপের।।
মসলা জাতীয় পণ্য,সরিষার তেল,সয়াবিন চাষে উদ্ভুদ্ধ করা গেলে অনেকগুলো সংকট মোকাবেলা সম্ভব।।
পুরো পৃথিবীতে আমাদের দেশ ষড়ঋতুর দেশ যদিও অধিক মাত্রায় বৃক্ষ নিধন,নদ নদী,পুকুর, জলাশয় অবৈধ দখল দারিত্বে প্রকট সমস্যা উত্তোরন করেছে তবে এখনও যদি ভূমিকা রাখা যায় সকলের অংশীদারত্বে তাহলে বাংলাদেশ হবে অপ্রতিরোধ্য।।
আমাদের একদিকে যেমন প্রায়োগিক শিক্ষার অভাবে দক্ষতা সম্পন্ন কৃষকের প্রবল সংকট অন্যদিকে প্রজ্ঞাবাণ বাজার বিশ্লেষকের অভাবে হরহামেশাই সংকটের উত্থান হয়।
আমাদের হিংস্রাত্মক মূলক আচরণ ও বিভ্রান্তি তৈরীর নস্ট কৌশল গুলো যদি আমরা স্রেফ দু-বছর বন্ধ রেখে দেশকে কিছু দেয়ার প্রতিজ্ঞা করি তাহলে অসম্ভব বলে কিছু নেই।।
তীব্র রোদে জনজীবনে কস্ট হচ্ছে নিঃসন্দেহে তবে আত্মিক তৃপ্তি দেখে মনে আশার আলো বৃদ্ধি পেয়েছে বলেই অনুসন্ধান কৃত তথ্য গুলো শেয়ার করলাম।।
আসুন গাছ লাগাই,আমাদের দেশকে আমরাই রক্ষা করি,প্রাকৃতিক, কৃত্রিম সকল দূর্যোগ থেকে।।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।।
এম এ ওয়ারেছ বাবু
সিটি ল্যাব।।











