ভালো কিছু তৈরীর উদাহরণ আমাদের রয়েছে
ভার্চুয়ালী অহেতুক নেতিবাচক মন্তব্য বা নেতিবাচক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অধিকাংশই তরুণ অর্থ্যাৎ শিক্ষার্থী।
পয়েন্ট ০১) যে সময় টুকু অহেতুক চিন্তা করে ফালতু সময় পার করছেন ঠিক ঐ সময়টুকুই দায়িত্ব নিয়ে কোন নতুনত্ব তৈরী করা প্রতিষ্ঠানে দিন,শতভাগ সাকসেস স্টোরি তৈরী হবে।
পয়েন্ট ০২)কোন উদ্যোগ না বুঝেই মন্তব্য ব্যক্তির দূরদর্শিতা কমায়,ফলে ইনফরমেটিভ কনটেন্ট ভাল করে মন্তব্য ব্যক্তির সক্ষমতা বাড়ায়।
পয়েন্ট ০৩) স্বনির্ভর, সাসটেইনেবল উদ্যোগ গুলো প্রবল ঝুঁকি নিয়ে তৈরী হয়।শিক্ষার্থী অবস্থাতেই ধারাবাহিক ভাবে একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিপূর্ণ সময়টাতে নতুন কিছু করার সক্ষমতা তৈরী করবে।
যে কোন সুচিন্তিত উদ্যোগ সফল না হলেও ব্যর্থ বা হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই।।
পয়েন্ট ০৪) আসলে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে যেমন দক্ষতা বৃদ্ধির আগ্রহ নেই ঠিক তেমন ভাবে উচ্চ স্থান গুলো থেকে সুনির্দিষ্ট বার্তাও নেই।
পয়েন্ট ০৫) যার যে সময়টাতে যা করার কথা সে ট্র্যাকেই মূলত আমরা নেই।।
আসলে জটিল প্রক্রিয়ার জটিল মন্তব্য বা জটিল অবস্থান স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না।
দক্ষ জনবল তৈরীর জন্য একাধারে রাষ্ট্রের, প্রতিষ্ঠানের, অভিভাবকের,শিক্ষার্থীর সচেতন ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠা প্রথম কর্ত্বব্য।।
আদৌও কি আমরা তৈরী আছি চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ফেস করার জন্য!!
তরুণ রা আড্ডা,রাজপথ,ভ্রমণ কিংবা ভার্চুয়ালী মত্ত না হয়ে কিছু কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনযোগ দিক একটা সুস্পষ্ট দক্ষ দিক নির্দেশক দ্বারা, হলফ করে বলতে পারি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নিশ্চিত হবে সহজেই।।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।।
বিঃদ্রঃ লিখাটি কোন ভাবেই হিংসাত্মক,আক্রমনাত্মক কিংবা উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয়।
লিখাটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, ব্যর্থতা,হতাশা,সফলতার স্থানগুলো থেকে শেয়ার করা হয়েছে।।
★★★
মূল বিষয়ঃ তরুণ দের মাঝে স্ব প্রণোদিত, দায়িত্ব ও সময় জ্ঞান সম্পন্ন ৫ জন তরুণ/তরুণী
(অধ্যয়নরত-যারা নিজ উদ্যোগে কিছু করতে আগ্রহী)
তারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।।
একসাথে অভিজ্ঞতা,পরিকল্পনা, কাজ,ডেডিকেশন,ব্যর্থতায় দমে না যাওয়া থেকে ভালো কিছু তৈরীর উদাহরণ আমাদের রয়েছে।।
সকল প্রশংসাই মহান প্রতিপালকের প্রতি।।







